বেলাইপাড়া আজাদ অ্যাকাডেমি বিদ্যালয়ে শিক্ষক শিক্ষিকাদের নিয়মাবলি- ২০২৬
(১) শিক্ষক শিক্ষিকাকে বিদ্যালয়ে সময়ের মধ্যে আসতে হবে। বিদ্যালয়ে আসার সময় পেরিয়ে গেলে সেই দিন আর বিদ্যালয়ে আসতে হবে না।
(২) শিক্ষক শিক্ষিকাকে বিদ্যালয়ে ৫ ঘন্টা সময় দিতে হবে।
(৩) জানুয়ারী থেকে ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত সকাল ৮ (a.m) টা থেকে ১ (p.m) টা পর্যন্ত পড়াতে হবে।
(৪) মার্চ থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সকাল ৭ (a.m) টা থেকে ১২ (p.m) টা পর্যন্ত পড়াতে হবে।
(৫) সকাল ৭ (a.m) টা থেকে ১০ (a.m) টা পর্যন্ত বিদ্যালয় হবে। তারপর থেকে কোচিং হবে ১২ (a.m) টা পর্যন্ত।
(৬) সকাল ৮ (a.m) টা থেকে ১১ (a.m) টা পর্যন্ত বিদ্যালয় হবে। তারপর থেকে কোচিং হবে ১ (a.m) টা পর্যন্ত।
(৭) গরমকালে বিদ্যালয় চলবে সকাল ৭ (a.m) টা থেকে ১০ (a.m) টা পর্যন্ত। আর কোচিং হবে ৪ (p.m) টা থেকে ৬ (p.m) টা পর্যন্ত।
(৮) শিক্ষক শিক্ষিকাকে বিদ্যালয়ে প্রতিদিন আসতে হবে (রবিবার বাদ দিয়ে)।
(১) কোন শিক্ষক শিক্ষিকা যদি বিদ্যালয় কামাই করেন তাহলে তার বেতন হইতে ১০০/- টাকা কাটা হইবে।
(১০) প্রধান শিক্ষক মহাশয় কে না জানিয়ে বিদ্যালয় কামাই করলে ১০০ + ১০০ ২০০/-টাকা উক্ত শিক্ষক বা শিক্ষিকার বেতন হইতে কাটা হইবে।
(১১) শিক্ষক শিক্ষিকাদের বিদ্যালয় কামাই করা চলবেনা। কামাই করলেই দিন প্রতি ১০০/-টাকা জরিমানা দিতে হইবে।
(১২) বিদ্যালয় চলিলে কোচিংও চালু থাকিবে। বিদ্যালয় বন্ধ থাকিলে কোচিংও বন্ধ থাকিবে।
(১৩) ২০১৬ সালের শিক্ষক শিক্ষিকাদের বিদ্যালয়ে ৫ ঘন্টা সময় দেওয়ার জন্য মাসে ২,৫০০/-টাকা করে বেতন দেওয়া হইবে। তাহা হইতে প্রতি বছর ৫% হারে বেতন বাড়বে।
(১৪) ২০২৫ সালের শিক্ষক শিক্ষিকাদের বিদ্যালয়ে ৫ ঘন্টা সময় দেওয়ার জন্য মাসে ২,০০০/-টাকা করে বেতন দেওয়া হইবে। তাহা হইতে প্রতি বছর ৫% হারে বেতন বাড়বে।
(১৫) শিক্ষক শিক্ষিকা কে বিদ্যালয়ের স্কুল ইউনিফর্ম পড়ে আসতে হবে।
(১৬) টিচার ইউনিফর্মের রং হবে- সার্ট বা চুড়িদার সাদা রং এর। প্যান্ট বা পায়জামা কালো রং এর। অথবা শুধু কালো রং এর ব্লেজার পরিধান করে আসলেই হবে।
(১৭) শিক্ষক শিক্ষিকাকে বিদ্যালয়ে ৩ ঘণ্টা সময় দেওয়ার জন্য মাসে ১,৫০০/-টাকা করে দেওয়া হইবে। তাহা হইতে প্রতি বছর ৫% হারে বেতন বাড়বে।
(১৮) শিক্ষক শিক্ষিকাকে বিদ্যালয়ে ২ ঘণ্টা সময় দেওয়ার জন্য মাসে ১,০০০/-টাকা বেতন দেওয়া হইবে। তাহা হইতে প্রতি বছর ৫% হারে বেতন বাড়বে।
(১৯) গেস্ট টিচার বা অতিথি শিক্ষক বা শিক্ষিকাদের ক্ষেত্রে বিদ্যালয়ের নিয়মের কোন বাধ্য বাধ্যকতা নেই।